1. nagorikit@gmail.com : admin :
  2. mdjoy.jnu@gmail.com : admin1 :
আজ- বৃহস্পতিবার, ০৬ অক্টোবর ২০২২, ১০:০৩ অপরাহ্ন

এয়ার বাবল চালু না হওয়ায় ভারত ভ্রমণে ইচ্ছুক শিক্ষার্থী ব্যবসায়ী রোগীরা সংকটে !

  • আপডেট করা হয়েছে মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২০
  • ৩৬৩ বার পড়া হয়েছে

মৌমিতা রায় : বৈশ্বিক মহামারী করোনার কারণে বিগত কয়েক মাস ভারতীয় ভিসা বন্ধ থাকায় বাংলাদেশি শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী এবং রোগীদের সংকটে পড়তে হয়। তবে সম্প্রতি ভারত সরকার এসব ক্ষেত্রে ভিসা চালু করেছে। বর্তমানে এসব ক্ষেত্রে বাংলাদেশিদের আর কোন বাধার রইলো না ভারত ভ্রমণে। তবে বাংলাদেশের সাথে এখনও এয়ার বাবল চালু না হওয়ায় সংকট কাটছে না। আশা করা হচ্ছে, খুব শিঘ্রই এয়ার বাবল চালুর ব্যাপারে ইতিবাচক পদক্ষেপ নেয়া হবে।
অনুসন্ধানে যানা গেছে, বেলজিয়াম, এস্তেনিয়া, লাটভিয়া, ফিনল্যান্ড, ইউরোপসহ বিভিন্ন মহাদেশের অনেকগুলো দেশের ভিসা কনস্যুলার পরিসেবা ঢাকায় নেই। এসব দেশে উচ্চ শিক্ষা গ্রহণে ইচ্ছুক বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদেরকে ভিসার আবেদন করার জন্য ভারতের নয়া দিল্লিতে যেতে হয়। কিন্তু করোনাকালে দীর্ঘদিন ভারতের সঙ্গে এয়ার বাবল বন্ধ থাকায় ভিসার আবেদন করতে পারেনি বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা। তবে এখন শিক্ষার্থীদের এই সংকট মোচনে বাবল এয়ার চালু সময়ের দাবি বলে মনে করছেন বিশিষ্ট জনেরা। একই ভাবে ভারতের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহণে আগ্রহী রোগীরাও পড়েছেন সংকটে। শুধু তাই নয়, ব্যবসা-বানিজ্যের সাথে সম্পৃক্ত ব্যবাসায়ীদের সংকট মোচনে বাবল এয়ার চালু অত্যন্ত জরুরী।
সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, গেল আগস্ট মাসের শেষ দিকে ভারতের পররাষ্ট্র সচিব হর্ষ বর্ধন শ্রিংলার বাংলাদেশ সফরের সময় বাংলাদেশি শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী এবং রোগীদের ভারতে যাওয়ার অনুমতি দিতে বাবল এয়ার চালুর প্রস্তাব করা হয়। নিকটতম প্রতিবেশি দুই দেশ এ ব্যাপারে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নেয়। গত ২৯ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আবদুল মোমেন এবং ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর ভার্সুয়াল বৈঠক করেন। বৈঠকে প্রতিবেশি ভারতে বাংলাদেশি পণ্যের জন্য শুল্কবিহীন বাধা, তিস্তার পানিবন্টন চুক্তি দ্রæত বাস্তবায়নের পাশাপাশি রোহিঙ্গা সংকট সমাধানের সন্ধানসহ বেশ কয়েকটি অমিমাংসিত বিষয় নিয়ে ইতিবাচক আলোচনা হয়।
এদিকে ভারতীয় হাইকমিশন টুইটার পাতায় বিদেশে পড়াশুনা করার জন্য আবেদন করতে ভারতের ভ্রমণ ভিসা চালু করার অনুরোধ জানিয়েছেন বাংলাদেশী শিক্ষার্থীরা। শুধু তাই নয়, চিকিৎসা সেবা নিতে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের বিমানগুলো চালু করার অনুরোধও করেছেন অনেকে।
জানা গেছে, ভারত ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, মালদ্বীপ, কানাডা এবং জাপান, জার্মানিসহ বিশ্বেও ১৫টিরও অধিক দেশের সঙ্গে এয়ার বাবল কার্যকর করেছে। উড্ডয়নের আগে এবং অবতরণের পর কঠোর পরীক্ষার কারণেই অনেক দেশ এই জাতীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।
এদিকে বাংলাদেশি শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী ও রোগীরা মনে করেন, এয়ার বাবল চালু করা এখন সময়ের দাবি হয়ে দাড়িয়েছে। করোনা মহামারী মোকাবেলায় উন্নত দেশগুলো বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। বিমানে উঠার আগে এবং অবতরণের পর প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হলে এয়ার বাবল চালুতে কোন বাধা থাকবে না। খুব শিঘ্রই বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে এ ব্যাপারে সবুজ সংকেত আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
ডিজাইনঃ নাগরিক আইটি (Nagorikit.com)