1. nagorikit@gmail.com : admin :
  2. mdjoy.jnu@gmail.com : admin1 :
আজ- বৃহস্পতিবার, ০৬ অক্টোবর ২০২২, ১০:১৮ অপরাহ্ন

খুলনায় মহান বিজয় দিবস উদযাপিত

  • আপডেট করা হয়েছে বুধবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ৩৩৩ বার পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট : স্বাস্থ্যবিধি মেনে যথাযোগ্য মর্যাদায় খুলনায় মহান বিজয় দিবস উদযাপিত। সীমিত আকারে সূর্যোদয়ের সাথে সাথে গল্ল¬¬ামারী স্মৃতিসৌধে পুষ্পমাল্য অর্পণ করা হয়। খুলনার বিভাগীয় কমিশনার সকালে সার্কিট হাউজে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। প্রত্যুষে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ লাইনে ৩১বার তোপধ্বনির মধ্যদিয়ে দিবসের শুভ সূচনা হয়। সূর্যোদয়ের সাথে সাথে সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি ভবন ও প্রতিষ্ঠানসমূহে জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং শহরের প্রধান প্রধান সড়ক ও সড়ক দ্বীপসমূহ জাতীয় পতাকা দ্বারা সজ্জিত করা হয়।

গল্ল¬¬ামারী স্মৃতিসৌধে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ খুলনা জেলা ও মহানগর কমান্ড, কেসিসি’র মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক, বিভাগীয় কমিশনার ড. মুঃ আনোয়ার হোসেন হাওলাদার, কেএমপি’র পুলিশ কমিশনার মোঃ মাসুদুর রহমান, রেঞ্জ ডিআইজি ড. খঃ মহিদ উদ্দিন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেন, জনপ্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন।

সকালে খুলনা জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষ হতে অনলাইনে ‘জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ ও ডিজিটাল প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহারের মাধ্যমে জাতীয় সমৃদ্ধি অর্জন’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক। খুলনার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেনের সভাপতিত্বে এতে প্রধান আলোচক ছিলেন সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট মোঃ এনায়েত আলী। ডাকযোগে ও ভার্চুয়াল প্লাটফর্ম ব্যবহার করে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজনসহ অনলাইন সুবিধাসম্পন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহ ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। অনুষ্ঠান শেষে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

বাদজোহর স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত আকারে শহিদ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত, যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সুস্বাস্থ্য এবং জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি ও অগ্রগতি কামনা করে বিভিন্ন মসজিদে বিশেষ মোনাজাত এবং মন্দির, গীর্জা, প্যাগোডা ও অন্যান্য উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনা করা হয়। মহান বিজয় দিবসে সকল হাসপাতাল, জেলখানা, বৃদ্ধাশ্রম, এতিমখানা, ডে-কেয়ার, শিশু বিকাশ কেন্দ্র ও ভবঘুরে আশ্রয় কেন্দ্রসমূহে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হয়।

করোনাভাইরাসের কারণে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহ বন্ধ থাকায় খুলনা শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে খুলনা জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষ হতে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করে অনলাইনে মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা  বিষয়ক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

কেসিসি : খুলনা সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস ২০২০ উদযাপিত হয়েছে। দিবসটি উদযাপন উপলক্ষে সিটি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক-এর নেতৃত্বে কাউন্সিলর, সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর ও কর্মকর্তাগণ প্রত্যুষে গল্লামারী শহীদ স্মৃতি সৌধে পুষ্পমাল্য অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পরে সকাল সাড়ে ৮টায় সিটি মেয়র নগর ভবনে কাউন্সিলর, সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর ও কর্মকর্তাদের সাথে নিয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে তাঁর প্রতি বিন¤্র শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

কেসিসি’র কাউন্সিলর শেখ আব্দুর রাজ্জাক, মো: সাইফুল ইসলাম, শেখ মোহাম্মদ আলী,  শেখ শামসুদ্দিন আহম্মেদ প্রিন্স, মো: ডালিম হাওলাদার, মো: শামসুজ্জামান মিয়া স্বপন, মো: গোলাম মাওলা শানু, এস এম মোজাফফর রশিদী রেজা, মো: আরিফ হোসেন মিঠু, সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর কনিকা সাহা, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (অতিরিক্ত সচিব) পলাশ কান্তি বালা, সচিব মো: আজমুল হক, প্রধান প্রকৌশলী মো: এজাজ মোর্শেদ চৌধুরী, চীফ প্লানিং অফিসার আবির উল জব্বার, নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট খান মাসুম বিল্লাহ, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক কর্মকর্তা এস কে এম তাছাদুজ্জামানসহ কেসিসি’র কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ ও নগরীর গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে সূর্য্যােদয়ের সাথে সাথে নগর ভবন, মেয়র ভবন, ওয়ার্ড অফিস কাম কমিউনিটি সেন্টার, খালিশপুর শাখা অফিস, স্বাস্থ্য ভবন, কেসিসি পরিচালিত স্কুল ও কলেজ, ম্যাটারনিটি হাসপাতালসমূহ এবং শহীদ হাদিস পার্কে জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং নগর ভবন, খালিশপুর শাখা অফিস ও শহীদ হাদিস পার্ক আলোকসজ্জা করা হয়।

খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় : খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস উদযাপন করা হয়। ১৯৭১ সালের এই দিনে পাকিস্তানী বাহিনী ও তার দোসর রাজাকার, আলবদররা দেশীয় এবং আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের অংশ উপেক্ষা করে বিজয় ছিনিয়ে আনে বীর বাঙালীরা। সফলতা পায় দীর্ঘ ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের ও ৩০ লক্ষ মা-বোনের ইজ্জত-সম্ভ্রম ত্যাগের বিনিময়ে।বিশে^র মানচিত্রে স্থান পায় লাল সবুজের দেশ বাংলাদেশের। দিবসটি উদযাপন উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়। কর্মসূচীর মধ্যে বুধবার সকালে গল্লামারী শহীদ স্মৃতিসৌধে বিশ^বিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ শহীদুর রহমান খান এর নেতৃত্বে বিশ^বিদ্যালয় পরিবার শহীদ বেদীতে শহীদের স্মরণে পুষ্প্যমাল্য অর্পণ করা হয়। এছাড়াও বিশ^বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে আলাদা আলাদা ভাবে শহীদ স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ডা: খন্দকার মাজহারুল আনোয়ার (শাজাহান), বিশ^বিদ্যালয়ের নীল দলের পক্ষ থেকে আহবায়ক ডাঃ মোঃ আশিকুল আলম ও সদস্য সচিব ড. এম এ হান্নান, কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে ভাইস চ্যান্সেলরের একান্ত সচিব মোঃ রেজাউল ইসলাম এবং বিশ^বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের পক্ষ থেকেও পুস্পস্তবক অর্পণ করা হয়। পুস্পস্তবক অর্পণ শেষে মহান বিজয় দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে স্বাধীন বাংলাদেশের মহান স্থপতি ও জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, জাতীয় চার নেতা, বীর মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক-সমর্থক, বিদেশি বন্ধুসহ মহান মুক্তিযুদ্ধে নিহত সকল শহিদদের আত্মার শান্তি কামনা করে বিশ^বিদ্যালয়ের মাননীয় ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ শহীদুর রহমান খান বলেন ‘‘ স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীর প্রাক্কালে দেশ, গণতন্ত্র ও সরকারবিরোধী সকল ষড়যন্ত্র প্রতিহত করে মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশের এই উন্নয়ন ও গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতা রক্ষা এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য এ বিজয় দিবসে সকলকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্ব পালন করতে হবে।

কুয়েট : খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) এ মহান বিজয় দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় বিভিন্ন কর্মসূচীর মাধ্যমে পালিত হয়েছে। কর্মসূচীর মধ্যে ১৬ ডিসেম্বর সূর্যোদয়ের সাথে সাথে প্রশাসনিক ভবন, ভাইস-চ্যান্সেল এর বাসভবন এবং আবাসিক হলসমূহে জাতীয় পতাকা উত্তোলন কবা হয়। সকাল ১০ টায় মুক্তিযুদ্ধের ভাস্কর্য “দুর্বার বাংলা” প্রাঙ্গণে জাতীয় সংগীতের সাথে সাথে জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং পুষ্পমাল্য অর্পন করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. কাজী সাজ্জাদ হোসেন। এরপর পর্যায়ক্রমে শিক্ষক সমিতি, পরিচালক (ছাত্র কল্যাণ), অফিসার্স এসোসিয়েশন, ফজলুল হক হল, লালন শাহ্্ হল, খানজাহান আলী হল, ড. এম এ রশীদ হল, রোকেয়া হল, অমর একুশে হল, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, কর্মকর্তা সমিতি (আপগ্রেডেশন), কর্মচারী সমিতি (৩য় শ্রেণী), কর্মচারী সমিতি (৪র্থ শ্রেণী), মাস্টাররোল কর্মচারী সমিতি, খুলনা ইঞ্জিনিয়ারিং ইইনিভার্সিটি স্কুল ও গৌরব’৭১ পুষ্পমাল্য অর্পন করেন।

সকাল ১১ টায় শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহনে আলোচনা সভায় (জুম এর মাধ্যমে) প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. কাজী সাজ্জাদ হোসেন। এসময় তিঁনি বলেন, আমাদেরকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করতে হবে। মুক্তিযোদ্ধাদের স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে পাললেই তাদের প্রতি সম্মান জানানো হবে।

ভারপ্রাপ্ত পরিচালক (ছাত্র কল্যাণ) ড. ইসমাঈল সাইফুল্যাহ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডীন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবু ইউসুফ, ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডীন প্রফেসর ড. কে এম আজহারুল হাসান, মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডীন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম ও রেজিস্ট্রার জি. এম. শহিদুল আলম। পাবলিক রিলেশনস অফিসার মনোজ কুমার মজুমদার এর সঞ্চালনায় অন্যান্যের মধ্যে আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রফেসর ড. পল্লব কুমার চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক ড. মোঃ আব্দুল হাসিব, পরিচালক (গবেষণা ও সম্প্রসারণ) প্রফেসর ড. শিবেন্দ্র শেখর শিকদার, আইআইসিটি এর পরিচালক প্রফেসর ড. মহিউদ্দিন আহমাদ, মেকাট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ড. সোবহান মিয়া, গণিত বিভাগের প্রফেসর ড. মোঃ আলহাজ উদ্দীন, আরবান এন্ড রিজিওনাল প্ল্যানিং বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ড. মোঃ মোস্তফা সরোয়ার, সিএসই বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ড. পিন্টু চন্দ্র শীল, ড. এম এ রশীদ হলের প্রভোস্ট প্রফেসর ড. সজল কুমার অধিকারী, এমই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. মোঃ হেলাল-আন-নাহিয়ান, অফিসার্স এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সেখ আক্কাস আলী, তত্ত¡াবধায়ক প্রকৌশলী ড. মোঃ জুলফিকার হোসেন, নির্বাহী প্রকৌশলী হুসাইন মুহাম্মদ এরশাদ, কর্মকতা সমিতির (আপগ্রেডেশন) সভাপতি জি এম মনিরুজ্জামান। দিবসটি পালন উপলক্ষে বাদ আসর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে দোয়া অনুষ্ঠান এবং সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান (জুম এর মাধ্যমে) অনুষ্ঠিত হয়।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় : ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস যথাযথ মর্যাদায় বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যদিয়ে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে উদযাপিত হয়। এ উপলক্ষে সকাল সাড়ে ৬ টায় শহিদ তাজউদ্দীন আহমদ প্রশাসন ভবনের সম্মুখে উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফায়েক উজ্জামান জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। এরপর উপাচার্যের নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী শোভাযাত্রাসহ ক্যাম্পাসে মুক্তিযুদ্ধের ভাস্কর্য অদম্য বাংলা চত্ত¡রে পৌঁছান। বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে উপাচার্য সর্বপ্রথম মুক্তিযুদ্ধের ভাস্কর্য অদম্য বাংলায় শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করেন। এরপরই বিভিন্ন ডিসিপ্লিন, বিভিন্ন আবাসিক হল, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি, স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদ, বঙ্গবন্ধু পরিষদ, খুবি অফিসার্স কল্যাণ পরিষদ, অফিসারদের সংগঠন চেতনায় মুক্তিযুদ্ধ, বঙ্গবন্ধু পরিষদ, ও কর্মচারীসহ বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকেও শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করা হয়। শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণের পর উপাচার্য কাজী নজরুল ইসলাম লাইব্রেরিতে স্থাপিত বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ কর্ণার উদ্বোধন করেন এবং সেখানে সংগৃহীত মুক্তিযুদ্ধের ওপর বইপুস্তক ঘুরে দেখেন। সেখানে তিনি মন্তব্য বইতে তাঁর অনুভ‚তি ব্যক্ত করেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ভবন সংলগ্ন মসজিদের পেশ ইমাম ক্বারী মোস্তাকিম বিল্লাহ মোনাজাত পরিচালনা করেন। পরে উপাচার্য ফিতা কেটে জয় বাংলা ভবন (দশতলা বিশিষ্ট ৪র্থ একাডেমিক ভবন) নির্মাণ কাজের সূচনা করেন। এর প্রাক্কালে সংক্ষিপ্ত শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগের পরিচালক প্রফেসর ড. উত্তম কুমার মজুমদার এবং প্রধান প্রকৌশলী মোঃ সিরাজুম মুনীর। এসময় মহান আল্লাহ পাকের রহমত কামনা করে মোনাজাত করা হয়। মোনাজাত পরিচালনা করেন কেন্দ্রীয় মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা আব্দুল কুদ্দুস। এসব কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোসাম্মাৎ হোসনে আরা, বিভিন্ন স্কুলের ডিন, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত), ডিসিপ্লিন প্রধান, ছাত্রবিষয়ক পরিচালক, প্রভোস্ট, বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
ডিজাইনঃ নাগরিক আইটি (Nagorikit.com)