1. nagorikit@gmail.com : admin :
  2. mdjoy.jnu@gmail.com : admin1 :
আজ- শুক্রবার, ০৭ অক্টোবর ২০২২, ১২:২৩ পূর্বাহ্ন

ঘেরের পাড়ে তরমুজ চাষ ভালো ফলনে খুশি কৃষকরা

  • আপডেট করা হয়েছে বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২০
  • ৪৪৭ বার পড়া হয়েছে

মৌমিতা রায় : বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম খাত হলো চিংড়ি চাষ। আর এই চিংড়ির শতকরা ৮০ ভাগ উৎপন্ন হয় খুলনাঞ্চলের হাজার হাজার মাছের ঘেরে। একই সাথে মিষ্টি পানির ঘেরের পাড়ে শসা, লাউ, টমেটো, কুমড়াসহ নানা প্রকার সবজির চাষ করেন প্রান্তিক কৃষকরা। এবার তরমুজের চাষ শুরু হয়েছে। তাও আবার নোনা জমিতে। খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলার কয়েকটি এলাকার ১৫জন কৃষক অকালে তরমুজের চাষ করে ভালো ফল পেয়েছেন।

খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলার একটি গ্রামের নাম বসুরাদ। অনিক বিশ্বাস এই গ্রামেরই বাসিন্দা। তার এক খন্ড ঘেরের জমিতে এবার বর্ষা মৌসুমে তরমুজ চাষ করেছেন। ভালো ফল হয়েছে। লাউ এর মতো তরমুজের ক্ষেত্রেও ঘেরের পাড়ে হাঙ্গি দেয়া হয়েছে।
গাছে সবুজ ডগায় বাতাশে দুলছে বড় বড় রসালো তরমুজ। ওজনে যাতে ছিড়ে পড়তে না পারে সে জন্য নেটের ব্যাগ দিয়ে তরমুজগুলো বেঁধে দেয়া হয়েছে। প্রতিটি তরমুজ ৫ থেকে ৮কেজি। খুলনার বাজারে পাইকারী বিক্রি হচ্ছে ৫০-৬০টাকা প্রতি কেজি। আর খুচরা বাজারে বিক্রি হচ্ছে ৮০টাকা। মাছ আর তরমুজ চাষে ভাগ্য বদলের স্বপ্ন দেখছেন কৃষকরা।

জানা গেছে, গ্রীষ্মকালীন তরমুজের পাশাপাশি বর্ষাকালীন তরমুজ চাষের প্রযুক্তি কৃষকদের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। গত বছর খুলনা জেলার বটিয়াঘাটা উপজেলায় ৩ জন কৃষক প্রথম পরীক্ষা মূলকভাবে তরমুজ চাষ করে সফলতা অর্জন করেন । এবছর কৃষকের সংখ্যা আরও বেড়েছে। জুন বীজ পবণ করে ভালো ফল পেয়েছে কৃষকরা। এ বছর ১৫ জন কৃষক ১৮ হেক্টর জমিতে বর্ষাকালীন তরমুজের চাষ করেছেন। হাইব্রিড নাম্বার ওয়ান ও টপসুইট নামের দুটি জাত চাষ করা হয়েছে ।

তরমুজ চাষী বসুরাবাদ গ্রামের শিক্ষার্থী অনিক গাইন বলেন, এবারই আমরা প্রথম পরীক্ষামুলকভাবে তরমুজের চাষ করেছি। ফলন ভালো হয়েছে। ভালোদামে বিক্রিও করেছি। খরচ হয়েছে ৩০ হাজার টাকা। আর তরমুজ বিক্রি করে পাওয়া গেছে ১ লাখ টাকার মতো। বাটয়াঘাটা কৃষি অফিসের কর্মকর্তারা এ ক্ষেত্রে সার্বিক পরামর্শ দেওয়ায় কোন ক্ষতি হয়নি।

মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের কৃষি উন্নয়ন প্রকল্প ( এসআরডিআই অংগ ) এর পরিচালক শচীন্দ্র নাথ বিশ্বাস বলেন, ঘেরের পাড়ে এই তরমুজ চাষ করায় বর্ষাকালে সেচের প্রয়োজন হয় না । পর্যাপ্ত পরিমান পানি পাওয়া যায়। তরমুজ চাষ হতে পারে কৃষকের ভাগ্য উন্নয়নের চাবি কাঠি । ঘেরের পাড়ে তরমুজ চাষ সম্প্রসারিত করা গেলে কৃষিতে নতুন দিগন্ত উম্মোচিত হবে ।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
ডিজাইনঃ নাগরিক আইটি (Nagorikit.com)