1. nagorikit@gmail.com : admin :
  2. mdjoy.jnu@gmail.com : admin1 :
আজ- বৃহস্পতিবার, ০৬ অক্টোবর ২০২২, ১১:৫১ অপরাহ্ন

রামপাল পাওয়ার প্লান্ট ২০২১ সালের শেষ দিকে উৎপাদনে যাবে : বিপিডিবি চেয়ারম্যান

  • আপডেট করা হয়েছে মঙ্গলবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ৪০৩ বার পড়া হয়েছে

রায় নমিতা : বাংলাদেশ বিদ্যুত উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেন বলেছেন, ২০২১ সালের শেষ দিকেই রামপাল পাওয়ার প্লান্ট উপাদনে যাবে। পাওয়ার প্লান্টে নবনিযুক্ত প্রকৌশলীদের এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি একথা বলেন। মঙ্গল বার দুপুরে বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানী প্রাইভেট লিমিটেড-(বিআইএফপিসিএল) প্রকল্প এলাকায় এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এদিন চার মাস ব্যাপী প্রশিক্ষণ শেষে প্রথম ব্যাচের প্রকৌশলীরা কাজে যোগদান করেন।
বিপিডিবি চেয়ারম্যান আরো বলেন, মুজিব শতবর্ষে দেশকে শতভাগ বিদ্যুতের আওতায় আনতে আমরা প্রতিশ্রæতিবদ্ধ। আর এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে রামপাল পাওয়ার প্লান্টের কাজ দ্রæত গতিতে এগিয়ে নেয়া হচ্ছে। আমরা আশা করছি, ১৩২০ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন দুই ইউনিট বিশিষ্ট মৈত্রী সুপার থার্মাল পাওয়ার প্লান্টের প্রথম ইউনিট ২০২১ সালের শেষ দিকে এবং ২০২২ এর প্রথম দিকে দ্বিতীয় ইউনিট উৎপাদনে যাবে।
তিনি বলেন, বিআইএফপিসিএল নিজস্ব প্রযুক্তিগত জনবল গড়ে তোলার জন্য জনবল নিয়োগ ও তাদের দক্ষণতা অর্জনে প্রশিক্ষণ কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। যথাযথ মানব সম্পদ তৈরি করতে হলে প্রশিক্ষণের কোন বিকল্প নেই। ক্রমাগত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মীদের দক্ষতা অর্জিত হয়। তাই নবনিযুক্ত প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত প্রকৌশলীদের কর্মকান্ড বিদ্যুত কেন্দ্রে আরো গতি আনবে বলে তিনি প্রত্যাশা করেন।


প্রধান অতিথি বলেন, পরিবেশগত সকল আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখেই রামপাল পাওয়ার প্লান্ট নির্মাণ করা হচ্ছে। এই প্লান্টে আমদানি করা উন্নত মানের কয়লা ব্যবহার করা হবে। আল্ট্রা সুপার প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে স্বল্প কয়লা ব্যবহার করে অধিক বিদ্যুত উৎপাদন করা যাবে। দেশে বিদ্যুত খাতের অভুতপূর্ব উন্নয়ন হয়েছে। প্রায় ১১ বছরে ১০হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুত জাতীয় গ্রীডে যোগ হয়েছে। বর্তমান উৎপাদন ক্ষমতা ২০,৩০০ মেগাওয়াট ছাড়িয়েছে। বর্তমানে দেশের মোট জনসংখ্যার শতকরা ৯৮ভাগ মানুষ বিদ্যুতের আওতায় এসেছে।


অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে বিআইএফপিসিএল’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক অনিমেশ জইন বলেন, নবনিযুক্ত তরুণ প্রকৌশলীদের কর্মকান্ডে প্লান্টে আরো গতি আসবে। এবছর সেপ্টেম্বরের পর থেকে ভারত থেকে ১হাজার দুইশোর বেশি দক্ষ শ্রমিক ফিরে এসেছে। বর্তমানে প্লান্টে বাংলাদেশি শ্রমিকসহ মোট ৭হাজারেরও অধিক শ্রমিক কর্মরত আছে। বর্তমানে প্রকল্পটির অবকাঠামোগত কাজের শতকরা ৫৫ ভাগ এবং আর্থিক অগ্রগতির শতকরা ৬০ভাগ কাজ অর্জিত হয়েছে। অনিমেশ জইন আরো বলেন, বাংলাদেশের সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে ২০২১সালের ডিসেম্বরে রামপাল প্রকল্পে প্রথম ইউনিট এবং ২০২২ সালের জুনের মধ্যে দ্বিতীয় ইউনিট উৎপাদনে নেয়ার জন্যে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে। রামপাল পাওয়ার প্লান্ট প্রকল্পের জন্য বিআইএফপিসিএল বাংলাদেশের সেরা ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের ৪৭ জন প্রকৌশলীকে নিয়োগ দিয়েছে। প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্রকৌশলীদের প্রথম ব্যাচ রামপাল পাওয়ার প্লান্টে এক মাস ক্লাশ রুম এবং ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ গ্রহণ করবে। ২০২১ সালের শুরুতে এদের ভারতের নয়াদিল্লির নিকটবর্তী এনটিপিসির প্রিমিয়ার পাওয়ার ম্যানেজমেন্ট ইনস্টিটিউটে ৩ মাসের প্রশিক্ষণে পাঠানো হবে। এরা বিদ্যুৎকেন্দ্রের কার্যক্রম পরিচালনার সাথে জড়িত থাকবেন এবং পরবর্তীকালে রামপালে আল্ট্রা-সুপার ক্রিটিকাল প্রযুক্তির ভিত্তিতে নির্মিত পরিবেশবান্ধব রামপাল পাওয়ার প্লান্ট পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব পালন করবেন।
অনুষ্ঠানে বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক মোঃ মামুনুর রশিদ, পুলিশ সুপার পঙ্কজ চন্দ্র রায়, রামপাল পাওয়ার প্লান্টের প্রকল্প পরিচালক এসসি পান্ডে, উপ-প্রকল্প পরিচালক মোঃ রেজাউল করিমসহ প্রতিষ্ঠানের পদস্থ কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, রামপাল পাওয়ার প্লান্টের উদ্যোগে প্লান্ট সংলগ্ন এলাকায় বহুমুখি সামাজিক কর্মকান্ড পরিচালনা করা হচ্ছে।

 

 

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
ডিজাইনঃ নাগরিক আইটি (Nagorikit.com)